Saturday 8 June

চুপচুপে ভেজা বন্ধুত্ব!

সাধারণত ছুটির দিন গুলোতে বাসার মধ্যে আম্মুর দেওয়া নকশীকাঁথা টার নিচে আড়মোড়া দিয়ে ঘুমাতে ঘুমাতে চোখ, মুখ ফুলিয়ে ফেলাই আমার কাছে জীবনের একমাত্র করণীয় কাজ বলে মনে হয়।

তবে আজকের দিনের গল্প টা না হয় একটু ভিন্ন হোক। ভোর বেলা খুব কমি ঘুম ভাংগে, তবে আজ ভাংলো তাতে অবশ্য যতটা না আমার ঘুমের দায় বেশী তার থেকে আকাশে মেঘেদের গুরুগম্ভীর ডাকেই বেশি দায়ী।

চোখ পিট পিট করে জানালার দিকে তাকাতেই বাহিরে দিনের আলো কাবু করে ক্ষীণ আধার করে দেয়া মেঘেদের সদর্পে বিচরণ দেখে রবীজীর কথা মনে পড়লো, মানে কবী গুরু রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর আরকি। মেঘ দেখছি আর আনমনেই ওনার ছোট বেলায় পড়া কবিতা

" নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিল ঠাঁই আর নাহি রে

ওগো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে " বিড়বিড় করছি

তবে আজ আমি এই আষাড়ে ঘর থেকে বের হওয়ার তাড়না অনুভব করলাম। মনে হলো জীবনে ভিন্নতা প্রয়োজন। আজকের ছুটির গল্পটা একটু ভিন্ন হোক।

হাতমুখ না ধুয়েই বেরিয়ে পড়লাম, কেনোই বা হাত মুখ ধুলাম না নিজেও জানি না, যদিও এতোটা উদাস না আমি , তবুও ওইযে ভাবলাম জীবনে ভিন্নতা প্রয়োজন, তাই হবে হয়তো। আলীর চায়ের দোকানের সামনে এসে মনে হলো কি একটা জানিতে ভিন্নতা নেই!! পায়ের দিকে তাকিয়ে দেখলাম, অভ্যাসগত কারণে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় সেই কালো লোফার জোড়া পড়েই বেরিয়ে গিয়েছি। জুতা টা পাল্টানো দরকার। সিড়ি বেয়ে বাসায় উঠতেও আর ইচ্ছে করছে না। ছোট থাকতে নানুর কাছে শুনতাম ভালো দিনে ঘর থেকে একবার বেরিয়ে পড়লে আবার ঘরে ফিরে যাওয়া শুভ লক্ষণ না। আর আমিও আজ কোন অশুভ লক্ষণের মাঝে পড়তে চাচ্ছি না। দিন টা কেনো জানি শুভ শুভই লাগছে! তাছাড়া, নানুও অনেকদিন হলো আমেরিকায়, দেখা হয় না, অন্তত তার একটা বাণী স্বরণ করে আজকের দিন টা শুরু হোক না, ক্ষতি কি! জীবনে তো ভিন্নতা প্রয়োজনেই

বাসার গলি পেরিয়ে বড় রাস্তায় উঠলাম, এদিকে মেঘেরদল আরো ভারী হচ্ছে আর গুড়মুড় করে ডাকছে। সেই ডাক শুনে রাস্তায় সব গাড়ির স্পিড দেখি ক্রমশ বাড়ছে। সাই সাই করে ছুটে চলছে, এ এক অলিখিত প্রতিযোগিতা কে কার আগে ঘরে ফিরবে তা নিয়ে। মনুষ্য জাতির এই তাড়াহুড়ো আমার মোটেও পছন্দ না। আর জাতি হিসেবে আমরা বাঙ্রালী তো আরেকটু বেশী হুড়ুকে জাতি! যাকগে জাতির চিন্তা বাদ দিয়ে নিজের ভিন্নতা আনার দিকে মনোযোগ দিলাম। ইতি উতি তাকাতে তাকাতে ফুটওভার ব্রিজটার নিছে মুচিওয়ালাকে পেয়ে গেলাম। বরাবরেই মতোই তার চোখ মানুষের জুতার দিকে। একটা ব্যপার খেয়াল করলাম, সব মানুষ নতুন সুন্দর জুতা দেখলে তাকিয়ে থাকে, কিন্ত এই মুচিওয়ালারা কখনো নতুন জুতোর দিকে তাকায় না, এমনকি একবার চোখ পড়লেও সেই চোখ ফিরিয়ে নিতে ন্যানোসেকেন্ড সময়ও লাগে না তাদের। তাদের চোখ যায় ছেড়া জুতার দিকে। ছেড়া জুতো দেখলেই চকচক করে তাকিয়ে থাকে।

অনেকক্ষণ ধরে মুচি ব্যাটার উপর দূর থেকে কিছু গবেষণা চালিয়ে এগিয়ে গেলাম তার কাছে

-মামা নাস্তা খেয়েছো নাকি সকালে?

ব্যাটা এমন ভাবে তাকালো মনে হয় তাকে চৌধুরী সাহেব আমি আপনার মেয়েকে ভালোবাসি বলে বসলাম!!

মুচিওয়ালার ত্যাড়া চাহনি এড়িয়ে আমার চাহনি গেলো পাশের টং দোকানের প্রমাণ সাইজের সাগর কলার দিকে। মনে হলো খাওয়ার মতো কিছু একটা পেলাম। দোকান থেকে ২ টা কলা আর ২ পিছ ক্রিম বন কিনলাম, এই ক্রিম মাখানো বন দেখে সেই জিলা স্কুল লাইফের কথা মনে পড়ে গেলো, ধর্মসাগর পাড়ে বসে টিফিন টাইমে ৫ টাকার ক্রিম বন খাওয়া!!

চায়ের অর্ডার দিয়ে কলা আর ক্রিম বনটা নিয়ে মুচিওয়ালার কাছে গিয়ে বসলাম,

-মামা নাও, একসাথে নাস্তা করি।

ব্যাটা আবার সেই চৌধুরী সাহবের দৃষ্টি দিয়ে চোখ নামিয়ে সুই গাথতে লাগলো জুতোর মাঝে। তার পাশেই কলা আর ক্রিম মাখা বন রেখে আমি চায়ের কাপে চুমুক দিলাম। আহহ কি স্বাদ! চুমুকটা দিয়েই

কিছুদিন আগে জার্মান যাওয়া এক বড় ভাইয়ের উক্তি মনে পড়লো,

-বুঝলি আফনাইন্না, এত উন্নত দেশে আইসাও সেই দেশের টং দোকানে বসে চা টাই মিস করি

আজ তার কথার স্বার্থকতা বুঝলাম। শুউউউ শুউউউ শব্দ করে চা পান করছি এদিকে মুচিওয়ালা আমার দিকে কতক্ষণ তাকিয়ে থেকে দেখলাম কলার বাকল ছিলছে। তবে ক্রিম মাখা বনটা তার বক্সের ভিতর ঢুকিয়ে রাখলো

-কি মামা, রুটিও খাও, দোকানদার তো বললো একেবারে আজকের সকালের তাজা রুটি। একদম ফ্রেশ। খাও খাও

মুচিওয়ালা এবার চৌধুরী সাহেব চাহনি বাদ দিয়ে খুশিতে গদগদ হওয়া টাইপ চাহনি দিয়ে বললো

-না মামা বাপজানের আইবার সময় হইছে, বাপজান আইলে খাইবো নে

-বাপজান টা কে মাম?

-আমার ছোট পোলা। স্কুল যাওয়ার আগে কইছি আমার লগে দেখা কইরা টিফিনের নাস্তা নিয়া যাইতে!!

কথা টা শুনেই সেই কিন্ডারগার্টেন লাইফের কথা মনে পড়ে গেলো, টিফিন টাইম হলেই দেখতাম আম্মু নাস্তা নিয়ে গেটের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। বকে বকে টিফিন খাইয়ে ক্লাসে ঢুকিয়ে যেতেন। নিজের গল্প বাদ দিয়ে মুচিওয়ালার গল্পে ফিরে আসলাম

-তোমার বাপজান কোন ক্লাসে পড়ে?

-এইতো মামা এবার কেলাস ওয়ানে উঠছে। দোয়া কইরেন

-হুম। মামা তোমার কাছে পুরান স্যান্ডেল আছে না, যেইটা দিয়ে বাতাস টাতাস ঢুকতে পারে পায়ের মাঝে?

-হ স্পঞ্জের আছে কয়েক জোড়া।

-দেখি বাহির করো তো। 

-দাদাদের যুগের বেডপ সাইজের প্লাস্টিকের ৩ জোড়া জুতা বের করলো মুচি মামায়!

-এই নেন মামা এইগুলা আছে

-রঙ ক্ষয়ে যাওয়া কটকটে লাল কালারের এক জোড়া চপ্পল আমার পছন্দ হলো! পায়ে গুলিয়ে দেখলাম বেশ বড় হয়েছে পায়ে, সামন দিয়ে জুতা গলে আংগুল বেড়িয়ে পড়ছে। গাঁড় নীল ডেনিম জিন্সটার সাথে লাল রঙের এই বেডপ চপ্পল নিজেকে সং এর কথা মনে করিয়ে দিলো!! তবু এটাই পছন্দ হলো। আজকাল মানুষ যদি টাকা খরচ করে গালা অনুষ্ঠানে নামী দামী তারকাদের উদ্ভট সব ড্রেসাপ হজম করতে পারে তবে ঢাকা বাসী আমার সামান্য এই লাল কালারের চপ্পল হজম করতে পারবে না কেনো!! 

-চপ্পল জোড়া পায়ে দিয়ে কিচ্ছুক্ষণ আরামি লাগলো। ডেইলি ব্যাস্ত জীবনে করপোরেট লাইফে ব্লাক সু নাইলে কনভার্স নাইলে লোফার পড়তে পড়তে পায়ে দিনের রোদ লাগানোই ভুলে গিয়েছি আর বাতাস লাগানো দূরে থাক। আজ বাতাসের নাগাল পেয়ে পা দুটো কেমন চনমন করছে, পায়ের আংগুল গুলো মনে হয় দিনের আলোয় একটু বাতাস খাওয়ার ফুসরত পেলো!! 

গন্তব্য ঠিক করি নি, লালা রঙের চপ্পল পড়ে বেশ হাটছি। ভালোই লাগছে। বাতাস থমকে আছে চারপাশেপ্রকৃতি আর মানুষের মাঝে এক অদভুত মিল খুজে পেলাম। প্রাণীরা কাউকে আক্রমণ শুরুর আগে একেবারে শান্ত হয়ে যায়, ছোট বেলায় ন্যাশনাল জিওগ্রাফি তে দেখতাম বাঘ হরিণ শিকার করার আগ মূহুর্তে একেবারে শান্ত হয়ে চুপ করে বসে থাকতো তারপর আচমকা আক্রমণ করতো। তেমনি প্রকৃতিও ঝড়ের আঘাত হানার আগে একেবারে চুপসে যায়। থমকে যায় বাতাস। হুট করেই তারপর ঝড় আঘাত হানে। খালি মানব সমাজি ব্যাতিক্রম। মানব সমাজ আক্রমণের শুরুই করে অস্থির হয়ে, আর ডায়লগ টা হয় " তুই আমাকে চিনোস বলে"। সবকিছুতেই অস্থিরতা আমাদের। এই যে বেচে থাকা নিয়ে এতো এতো অস্থিরতা অথচ আচমকা প্রাকৃতিক আঘাত মৃত্যু এসে সব থামিয়ে দিয়ে যায়!!

বড় রাস্তা ধরে আম হেটেই চলছি, বেশ লাগছে, পাশ দিয়ে একজন যাওয়ার সময় চেচিয়ে উঠলো শালার বৃষ্টি, আসার আর সময় পাইলো না!!

ডাক দিয়ে বললাম ভাই বৃষ্টি তো একটি স্ত্রী লিংগ নাম, শালার বৃষ্টি না হয়ে শালীর বৃষ্টি হবে! লোকটা ঘাড় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে

ওই মিয়া জিগাইছি আপনারে!! পাগল ছাগল সব!!

আপাতত পাগলের উপমা নিয়ে আমি হেটেই চলছি। ঝুম বৃষ্টি নেমেছে এবার। সোজা রাস্তা বৃষ্টির ভারী ফোটার কারণে বেশী দেখা যাচ্ছে না। মনে হয় তরল কুয়াশা জমে আছে সামনে!! সবাই আশ্রয়ে চলে গিয়েছে। একটা বিল্ডিং পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সময় দোতালার বারান্দা থেকে ১০-১২ বছরের এক বাচ্চাকে দেখলাম বেশ আগ্রহ নিয়ে বারান্দার গ্রিল ধরে আমার দিকে তাকিয়ে আছে!!

কেনো জানি তাকে আমার বন্ধি মনে হলো!! হয়তো তারো খুব ভিজতে ইচ্ছে করছে, কিন্তু মায়ের বারণ আছে!! বন্ধী তো আমরা সবাই কোন না কোন ভাবে! যেই সমাজ এখন আর্থিক সু অবস্থা কে স্বাধীনতা মনে করে সেই সমাজই আবার নিরাপত্তার জন্য সব অর্থ সুরক্ষিত করে কোথাও বন্ধী করে রাখে!! 

জমাট বৃষ্টি তে ভিজতে ভিজতে মনে হলো শরীরের ক্লান্তি অনেকটাই দূর হয়ে যাচ্ছে, নিজেকে দল ছাড়া একজন মনে হচ্ছে। বৃষ্টি একটু কমে আসছে, রাস্তায় ভালোই পানি জমে গিয়েছে, পা টেনে টেনে পানিতে চপ চপ শব্দ তুলে হাটা লাগছে। অনেকক্ষণ ধরে পেছনেও চপ চপ শব্দ শুনতে পাচ্ছি। প্রয়োজন মনে করিনি বিধায় তাকাই নি কিন্তু এবার একবার তাকালাম, দেখি ১ টা দেশী কুকুর লেজ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে লাফাতে লাফাতে পেছন পেছন এগুচ্ছে। আমার আবার কুকুর ফোবিয়া আছে। একা রাস্তায় কুকুর দেখলে সেই রাস্তায় আর পা দেই না, কিন্তু আজ কোন ভয়ই কাজ করলো না। সবকিছুতেই মনে হলো আজ ভিন্নতা প্রয়োজন। নির্ভাবনা নিয়েই তাই এগুতে থাকলাম। মনে মনে ভাবছি আচ্ছা কুকুর কি আমার চিন্তা পড়তে পারছে? সে কি বুঝতে পারছে আমার যে কুকুর ভয় পাওয়ার প্রবনতা আছে! এখন যদি এসে কামড়ে দেয়!! মনে হলো নাহ, আমরা কেউই কারো চিন্তার জগত পড়তে পারি না। এটাও আল্লাহর একটা বিশেষ লীলাখেলা। মানুষ জ্ঞান বিজ্ঞানের কত প্রসারে চলে গিয়েছে কিন্তু এখনো কেউ কারো চিন্তার জগত পড়তে পারছে না। যাক ভালোই হলো, কুকুর আমার চিন্তার জগত পড়তে পারছে না আমিও কুকুরের চিন্তার জগত পড়ত্র পারছি না। সাম্যাবস্থা বজায় থাকলো। প্রকৃতিও সাম্যাবস্থা পছন্দ করে। 

হটাত করেই মনে হলো আমি কুকুরটিকে চিনি মনে হয়, আগে কোথাও দেখেছি। আরেকবার ফিরে তাকালাম পিছনেআরে এইতো সেই কুকুর মুচি ওয়ালা মামার পাশে বসে টং দোকান থেকে ক্রিম বন কিনার পর খাওয়া শেষে এক টুকরো ছুড়ে মেরেছিলাম এই কুকুরটার দিকেই তো। 

আমি ঠায় দাঁড়িয়ে গেলাম, কুকুরটাও এবার দাঁড়িয়ে গেলো, পুরো শরীর ভেজা। আমার দিকে তাকিয়ে কুই কুই শব্দ করছে যেনো বলছে 

কিরে ব্যাটা সেই কখন থেকে তোর পিছে পিছে আসছি, ট্যার পাস নাই

আমি হাত দিয়ে ইশারা করলাম, সাথে সাথে পায়ের কাছে এসে পানির উপর মুখ উচিয়ে জিভ বের করে বসে গেলো। কেনো জানি খুশিতে চোখ ঝাপসা হয়ে গেলো!! 

আমি আবার হাটা শুরু করলাম, এবার আর কুকুরটা পেছন পেছন আসছে না, পাশে পাশে হাটছে। মনে হলো সে আমার অলিখিত বন্ধু। লিখিত বন্ধুরা কখনো এক টুকরো রুটি খেয়ে এই বৃষ্টির মাঝে এতো দূর পেছন পেছন ফলো করে আসবে না। মানুষরূপী বন্ধু গুলো তো আরো আগে আসতোই না। কুকুরটার মুখের দিকে তাকিয়েও মনে হলো সে আমার চিন্তার জগত পড়তে পারছে, মানুষ রুপী বন্ধুর কথা বুঝে তার মুখেও বিদ্রুপের হাসি খেলে গেলো। আর হ্যা আমিও তার চিন্তার জগত পড়তে পারছি বলে মনে হলো সেই কারণেই তার বিদ্রুপের হাসি টাও ধরতে পারলাম

রাস্তায় পানি জমেছে। বেশ ভালো পানি। আমি পানি ভেংগে এগুচ্ছি, পাশাপাশি কুকুর টাও। আমি তাকে চিনি না সেও আমাকে চিনে না। পরিচয় কেবল এক টুকরো রুটির খাতিরে। যাক ভালোই হলো, বন্ধুত্ব তখনি গাড় হয় যখন কেউ কাউকে চিনে না। অধিক পরিচয়ে বন্ধুত্ব হয় না, হয় বিনিময়ের সম্পর্ক। শর্ত মাখা সম্পর্ক, ক্ষেত্র বিশেষে সু সম্পর্ক আরকি। এমন বেশ কজন সু সম্পর্কের মানুষ ও যখন আমার বন্ধু আছে বলে মনে পড়লো আর তাদের দিনশেষের আচরণের কথা মনে পড়লো তখন স্মৃতি বাদ দিয়ে পাশের এই অচেনা কুকুর টাকেই বেশী আপন মনে হলো। 

আকাশ পরিষ্কার হচ্ছে রংধনু উঠি উঠি ভাব, আজ যে রংধনুকে উঠতেই হবে, আজ যে আমার ভিন্নতার দিন। বন্ধুত্বের পরিচয় পাওয়ার দিন!   

                                                                                                                                                      - ( চলবে )

                                                                                                                                            - #কেউএকজন

 

 

 

সপ্নঘুড়ির সাথে থাকার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আমাদের পোস্ট গুলো যদি ভালো লেগে থাকে বা ইনফরমেটিভ হয় তাহলে প্লিজ শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সাথে।
"স্বপ্ন দেখুন, স্বপ্ন নিয়েই বাচুন, অন্যের স্বপ্নকে উৎসাহ দিন"